নাভারণ নাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্যের বিরুদ্ধে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ

সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ : নাভারণ হাইওয়ে ফাড়ির পুলিশ সদস্যরা মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ১১টি ইজিবাইক আটক করে ৪৪ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি বাইক চালকরা।

এ বিষয়ে বেনাপোলের ইজিবাইক চালক আবুল আলিম জানান, সে বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে যশোর অভিমুখে যাচ্ছিল। নাভারন হাইওয়ে ফাড়ি পার হয়ে কলাগাছি বাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে ফাঁড়ি পুলিশ গতিরোধ করে। এ সাথে মহা সড়কে ইজি বাইক চালানোর অপরাধে একটি কেস সিলিপ হাতে ধরিয়ে দিয়ে গাড়িটি আটক করে রাখে। এক পর্যায়ে কেস সিলিপটি নিয়ে হাইওয়ে ফাড়ি নাভারনে যেতে বলে। সেমোতাবেক ফাড়িতে গেলে আফজাল হোসেন নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলে ৪হাজার টাকা দিলে গাড়িটি ছেড়ে দেবে। আমার গাড়িসহ আরো ১১ টি গাড়ি আটকানো ছিল সেখানে। পরে ১০জন  ৪হাজার করে টাকা দিলে ১১টি গাড়ি ছেড়ে দেয়।

জানাযায়, এছাড়া এ ফাড়ি কর্মকর্তার নামে ব্যাপক অর্থ বানিজ্যের অভেযোগ রয়েছে স্থানীয় মহলে।

সুত্রে জানায়, বেনাপোল-যশোর মহা সড়কে প্রতিদিন শত শত ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটিসহ বিভিন্ন যানবাহন যা মহা সড়কে চলা সম্পূর্ণ নিষেধ। কিন্তু এ সকল নিষেধাজ্ঞা উপক্ষো করে ইনচার্য আফজাল হোসেন সিন্ডিকেট তৈরি করে গড়ে তুলেছেন তাদের সাথে অর্থনৈতিক অবৈধ সম্পর্ক।

ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটি প্রতি মাসিক চাঁদা ৪’শ টাকা, প্রাইভেট কার প্রতি ১হাজার টাকা, মটর সাইকেল স্ট্যান্ডের মটর সাইকেল প্রতি ১’শ টাকা। এছাড়া ট্রাক ও বাস প্রতি রয়েছে অনেক গোপন রহস্য। সেখানে সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে এ কর্মকর্তা মাঝে মধ্যে চুক্তিবিহীন কয়েকটি গাড়ি আটক দেখিয়ে যতসামান্য পরিমাণ রাজস্ব আদায় দেখান।

অভিযোগে জানা যায়, বাগআঁচড়া, নাভারন, শার্শা ও বেনাপোলে রয়েছে এ ফাড়ির ইনচার্যের নিয়োজিত বিশেষ ৪ব্যক্তি। যারা চোরাকারবারীদের নির্বিগ্নে চলাচলের ব্যবস্থা করে থাকে। বিনিময়ে মাসোহারার একটা অংশ তুলে দেয় নাভারন ফাড়ী ইনচার্যের হাতে।

সুত্র জানায়, হাইওয়ে সড়কে ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটি চলাচলে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা বন্ধ না করে মাসোহারার বিনিময়ে চলাচল করছে। এ সুযোগে নাভারন হাইওয়ে ফাড়ী পুলিশের ইনচার্য আফজাল হোসেন কামিয়ে চলেছে কালো টাকা।

এ ব্যাপারে নাভারন হাইওয়ে ফাড়ী পুলিশের অপর এক কর্মকর্তা জানান, ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটি চলাচলে হাইকোর্ট নিষেধাজ্ঞা দিলেও মানািবক কারনে তা বন্ধ করা সম্ভব হয়ে উঠছে না।

নাভারন হাইওয়ে ফাড়ী পুলিশের ইসচার্য এসআই আফজাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে কয়টি ইজিবাইক ধরা হয়েছে তার প্রত্যেকটির বিপরিতে মামলা দেয়া হয়েছে। পুলিশ সুপারের আদেশে ইজি বাইক, নসিমন, করিমন, ভটভটি আটক করে মামলা দেয়া হচ্ছে। এখান থেকে কোন উৎকোচ আদায় করা হয় না।

৩টি বিদ্যালয়ের মাঠে মেলার নামে চলছে যাত্রা ও জুয়া


রাণীশংকৈল প্রতিনিধি \ বর্তমান সরকার দেশে শতভাগ নিরক্ষতা দূরীকরণ করার ল¶ে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য খুলেছেন আনন্দ স্কুল অনুমোদন দিচ্ছেন বিভিন্ন নামে কিন্ডার গার্টেন স্কুল এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুর“ করে মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রর্যš— সমস্ত শি¶ার্থীদের বছরের শুর“তেই পাঠ্য প্রস্তুক সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেওযার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সমগ্র দেশে এ বিষয়গুলি ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং সঠিকভাবে তদারকী করার জন্য দায়িত্ব দিচ্ছেন সংশি¬ষ্ট কৃর্তপ¶কে। ঠিক তখনই ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈলে প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার মহারাজায় ৩টি শি¶া প্রতিষ্ঠানের মূল মাঠ দখল করে আনন্দ মেলার নামে অনুমতি ছাড়াই জুয়া,যাত্রা পালা র‌্যাফেল ড্র অথচ প্রশাসনের কর্তাবাবুরা বলছেন আমরা জানি না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহারাজা কিন্ডার গার্ডেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়,উচ্চ বিদ্যালয় এই ৩ বিদ্যালয়ের মাঠ একটিই। সেই মাঠ দখল করে আনন্দ মেলার নামে সমগ্র মাঠ বিদ্যালয়ের শ্রেণী ক¶, টয়লেট দখল করে ৬নং কাশিপুর ইউপি’র চেয়ারম্যান আ”লীগ নেতা আব্দুর রউফ নিজে মেলা কমিটির সভাপতি হয়ে মাঠটি দখল করে মেলা চালাচ্ছেন। ৩০ নভেম্বর এই আনন্দ মেলার উদ্ভোধন করেন ঠাকুরগাও-২ আসনের এমপি আলহাজ্ব দবির“ল ইসলাম. আ’লীগ সভাপতি সইদুল হক। সদ্য সমাপ্ত জেএসসি,জেডিসি, শুর“ হয়েছে মাধ্যমিক পর্যায়ে বার্ষিক পরী¶ার । এ ব্যাপারে ৩টি বিদ্যালয়ের প্রধান শি¶কদের অভিযোগ আমরা তো এখানে চাকুরী করি বেশি কিছু বলতে পারি না তবে মেলার কারণে শি¶ার্থীদের পাঠদানে আমাদের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। একাধিক অভিভাবক আমাদের প্রতিনিধিকে অভিযোগ করে বলেন, আমরা উপজেলা শহর হতে প্রায় ২৫ কিমিঃ দুরে গ্রামে বসবাস করছি এখন থেকে ২ বছর আগে ছেলে মেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক শান্তি পূর্ণভাবে বসবাস করছিলাম কিন্তু হাঠৎ করেই ২-৩ বছর ধরে এক আজাব আসতে শুর“ করেছে আমদের গ্রামে। এলাকার কিছু বিপথগামী লোক গত বছর ধরে এই মেলার আয়োজন করছে। এতে আমাদের ছেলে মেয়েরা মেলার সময় কোন কথাই শূনছে না, নষ্ট করছে পড়ালেখার সময়, অপচয় করছে টাকা। মেলায় অশ¬ীল নৃত্য দেখে বিভিন্ন খারাপ কাজের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। তবে  এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মে রেজাউল করিম বলেন, মেলা কমিটি ৩০ নভেম্বর মেলা করার কোন অনুমতি পান। কিন্তু শর্তাবলী অমান্য করে উর্ধতন কর্তৃপ¶ের অনুমতি সাপে¶ে মেলা বন্ধ করে দেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম ইফতেখার“ল ইসলাম খন্দকার জানান, বিষয়টি আমি জানিনা তবে মেলা অনুমতির শর্ত অমান্য করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোঃ আনোয়ার হোসেন আকাশ
রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাও

দূর্ণীতির অভিযোগে সিরাজ কমান্ডারের রাহবা’র সদস্যপদ বাতিল


রাণীশংকৈল প্রতিনিধি
ঠাকুরগাওয়ে দূর্ণীতির অভিযোগে রাণীশংকৈল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সিরাজুল ইসলামের রাহবা সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। রাহবা অফিস সুত্রে জেলার রাণীশংকৈল, হরিপুর, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা (রাহবা)’র ২০০৮-১০ সাল পর্যন্ত সভাপতি থাকা কালিন সময়ে সমিতির টাকা আত্মসাত সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। সমিতির সদস্যদের জমাকৃত মুলধন ফেরৎ পেতে ইচ্ছুক কিনা মর্মে একটি  অঙ্গিকারণামা করেন তৎকালিন সভাপতি। মুলধন ফেরৎ নিতে ইচ্ছুক ১৮ জন সদস্যের অঙ্গিকার নামায় ¯^াক্ষর নিয়ে তাদের টাকা উত্তোলন করে তা ফেরৎ না দিয়ে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়াও সমিতির হিসাব নিকাশে ¯^চ্ছতা না থাকায় সঠিক হিসাব প্রদানের জন্য বার বার নোটিশ করা হলে তা আমলে না নিয়ে টাল বাহানা করে। সমিতির সংবিধান অনুযায়ী ২০১১-১৫ সালের ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত আবু তাহের নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে এ জেড সুলতান ১২ ডিসেম্বর'১৫ তারিখ সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।  কিন্তু সিরাজুল ইসলাম জাল সীল ব্যবহার করে নিজেকে সভাপতি দাবি করে আসছেন। উল্লেখ্য, তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদের দায়িত্ব হাতে নেওয়ার পর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জাল সনদ এনে দেওয়া, মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা করে দেওয়ার নামে বিরঙ্গনাদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা নেওয়া, টাকার বিনিময়ে অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত করা সহ নানা অভিযোগ জর্জরিত। টাকা হাতিয়ে নিয়ে জাল সনদ এনে দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বিজ্ঞ আদালতে।
উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা (রাহবা) সমিতির সভাপতি এ জেড সুলতান ৫ ডিসেম্বর জানান, সমিতির সংবিধান বহিভর্‚ত কার্যকলাপের সাথে জড়িত থাকার কারনে সিরাজুল ইসলাম কমান্ডারের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে।

৩ যুগ পর সিলেটে ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শুরু ইজতেমা : আশা করা হচ্ছে সমাগম ঘটবে প্রায় ১২ লাখ মুসল্লির

সিলেট থেকে মুখলিছ রহমান: দু’টি পাতা একটি কুড়ির শহর সিলেট, সর্বদা শান্ত সুন্দর ও অতিথি পরায়ন খ্যাত সিলেট। ৩৬০ আউলিয়ার পূণ্য ভূমি এই সিলেট, হযরত শাহ্জালায় মুর্জরদে ইয়ামনী (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) এর পূন্য স্মৃতি বিজড়িত ‘‘আধ্যাত্বিক রাজধানী’’ খ্যাত পূণ্য সিলেট। তরই পাশাপাশি সারা বাংলাদেশ এমনকি বর্হিবিশ্বের লোকজনদের কাছে বিশেষ করে পর্যকটক বা ভ্রমণ পিপাসু লোকজনের কাছে ভ্রমণের জন্য কাঙ্খিত এই সিলেট। মহান সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্য দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছেন সিলেটকে। সেই কারণে দেশী বিদেশী ভ্রমন পিপাসুদের কাছে পরিচিত ‘‘পর্যটন নগরী’’ হিসাবে। এই সিলেটে এবার শুরু হচ্ছে ৩৬ বছর পর ইজতেমা। 
মুসল্লিদের কলরব আর ‘আমিন’ ‘আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে এবার মুখরিত হবে সিলেট। দীর্ঘ ৩ যুগ পর এই প্রথম সিলেটে হচ্ছে তাবলিগ জামাতের ইজতেমা। বিশ্ব ইজতেমার অংশ হিসেবে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন বিশাল মাঠে এ ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর এ ইজতেমায় ১২ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরেজমিনে ইজতেমার মাঠে গেলে জানা গেল, ৬শ’ কেদার (প্রায় ২০০ একর) জমির  উপর সিলেট জেলার ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। ধর্মপ্রাণ মানুষের যাতে কোনো কষ্ট না হয়, সেজন্য প্যান্ডেল দিয়ে সাজানো হচ্ছে বিশাল মাঠ। ওই মাঠে ১১টি খিত্তা থাকবে। ১৬টি করে এক একটি পয়েন্টে সাজানো মাঠে ২শ’টি মসজিদ ওয়ালি হবে। এ ছাড়া মাঠের দক্ষিণ পাশে ৫ থেকে ৬ হাজার মুসল্লির যাতে এক সাথে ওজু করতে পারেন, সেজন্য থাকবে একটি বিশাল ওজুখানা। এই ওজুখানা ছাড়াও আরো ৩৫ থেকে ৪০টি ছোট ওজু খানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাঠের একপাশে অন্তত ২ হাজার শৌচাগার থাকবে; ৫টি গভীর নলকূপসহ প্রায় ১২ থেকে ১৫টি নলকূপ বসানো হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ইজতেমার জন্য আমরা সার্বিক সহযোগিতা করছি। নলকূপ বসানো, বিদ্যুতের ব্যবস্থা, রাস্তা করা এবং রাস্তার উন্নয়নসহ প্রায় অধিকাংশ কাজে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করছে। তিনি বলেন, মুসল্লিরা যাতে সুন্দরভাবে ইজতেমায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন সার্বিক দিকে দৃষ্টি রাখছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীব বলেন, ইতোমধ্যে দুটি গভীর নলকূপ দেওয়া হয়েছে। পানির ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। লাইট দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা থাকবে।
তবলিগ জামাতের একাধিক আমির ও কর্মী জানান, জানুয়ারি মাসের প্রথমদিকে টঙ্গীর তুরাগ নদীর পারে দু’ধাপে ৩২টি জেলার বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তুরাগ তীরের এক সপ্তাহ আগে সিলেটের ইজতেমা হওয়ায় অন্তত ১০ থেকে ১২ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। সিলেটের ইজতেমায় বিপুল সংখ্যক বিদেশি মুসল্লিরও সমাগম ঘটবে আশা করেন জানিয়ে তাঁরা বলেন, আল্লার নামে কোনো কাজ শুরু করলে তা আটকে থাকে না। এর কারণ হচ্ছে, সিলেটের তাবলিগের মুরুব্বিরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিলেটে ৩ দিনের ইজতেমা হবে। এজন্য কোনো সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কিংবা কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি। কোনো টাকার ব্যবস্থা ছাড়াই ইজতেমার মাঠের কাজ শুরু হয়। আল্লাহর নামের জন্য এবং দ্বীনের কাজে সওয়াবের আশায় সাধারণ মানুষ, দিনমজুর, গাড়ী চালক, রিক্সা ড্রাইভার, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকলেই সহযোগিতা করছেন যে যে ভাবে পারছেন স্বেচ্ছায় সামর্থ অনুযায়ী। কোনো শ্রমিক টাকায় আনা হয়নি। মানুষ নিজ উদ্যোগে শ্রম দিয়ে ইজতেমার মাঠ মুসল্লিদের জন্য তৈরী করে দিচ্ছেন। সকলেই কাজ করছেন বিনা পারিশ্রমিকে। কেউ কেউ বাঁশ দিয়ে সহযোগিতা করছেন। আবার কেউ কেউ বাঁশ বাধাঁর সরঞ্জাম দিয়ে সহযোগীতা করছেন। অনেকে আবার স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে সহযোগীতা করছেন। সিলেটের জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন এবং রাজনৈতিক নেতারাও বিভিন্ন কাজ করিয়ে দিয়ে আল্লাহর নামের কাজে শামিল হচ্ছেন।
ইজতেমার মাঠের কাজ পরিদর্শনকালে গতকাল শনিবার জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ জানান, প্রশাসনের সাথে বৈঠক হয়েছে। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, সবশ্রেণি-পেশার মানুষ সিলেটের ইজতেমা সফল করতে এগিয়ে এসেছেন। সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের পানি দেয়া হবে, ইতোমধ্যে গভীর নলকূপ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রোলার দিয়ে মাঠের মাঠি সমান করা হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে আশফাক আহমদ বলেন, আল্লাহর নামের কাজে আল্লাহর মেহেরবাণী সবচেয়ে বেশি থাকে। গত কয়েকদিন আগে এ মাঠের মাঠি একেবারেই নরম ছিল। এখন পুরো শক্ত হয়ে গেছে।
তাবলিগ জামাতের আমীর আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘আল্লাহর মেহেরবাণীতে সব কাজ চলছে। আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী। তিনি বলেন, তিন দিন ইজতেমা চলবে। ৩১ ডিসেম্বর হবে আখেরি মুনাজাত। ইজতেমা শেষে অনেক মুসল্লি আল্লাহর রাস্তায় সময় কাঠাতে চিল্লায় যাবেন। তিনি বলেন, বিদেশি মেহমানদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখার চেষ্টা করা হবে। তাঁদের জন্য আলাদা প্যান্ডেল করে তাঁবু দিয়ে ইবাদত করার সুযোগ করে দেয়া হবে। যারা মাঠে থাকতে অসুবিধা মনে মনে করবেন, তাঁদেরকে পার্শ্ববর্তী মসজিদে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। ইজতেমার আয়োজনের মূল কারণ হচ্ছে, আল্লাহর পথে সময় দেয়া, রাসূল (স.) এর দেয়া নির্দেশ মোতাবেক পথ চলা ও অনুসরণ করে দিনের দাওয়াত রাসূল (স.) এর উম্মতদের কাছে পৌছে দেয়া। তিনি বলেন, সিলেটের ইজতেমা সফল করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অর্থ ও শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ সবাইকে কবুল করুন এই দুআ সব সময় করি।
তাবলিগ জামাতের সিনিয়র মুরুব্বি সৈয়দ ইব্রাহিম জানান, ৩৬ বছর পর সিলেটে ইজতেমা হচ্ছে। এর আগে আগে ১৯৬৫ ও ১৯৮৪ সালে সিলেট জেলার সুরমা নদীর দক্ষিণ তীর সংলগ্ন টেকনিক্যাল মাঠে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথমবার আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন ইউসূফ জি (রহ:) এবং দ্বিতীয়বার আখেরী মোনাজাত করেন এনামুল হাসান (রহ:)। তিনি বলেন শেষবার ৮৪ সালে পলিটেকনিক মাঠে জেলা পর্যায়ে একটি ইজতেমা হয়েছিল। এবার ৩৬ বছর পর সিলেটের ইজতেমা সফল করতে সবাই এগিয়ে এসেছেন।
এদিকে, ইজতেমার আশপাশে বসানো হচ্ছে বিপুল সংখ্যক দোকান। বসছে রেস্টুরেন্টও। স্থানীয়রা বলছেন, ওই এলাকায় এবার ইজতেমা হওয়ায় ব্যবসায়ীদেরও ব্যবসা ভালো হবে।
সূত্র জানায়, তবলিগের শীর্ষ মুরুব্বিদের নতুন সিদ্ধান্তে চলতি বছরের বিশ্ব ইজতেমায় দেশের যে ৩২টি জেলা বাদ পড়ে, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বে সেই ৩২ জেলার তবলিগ জামাত সদস্যরা অংশ নেবেন।

জেলাগুলো হচ্ছে, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, লালমনিরহাট, কুডিগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা, জয়পুরহাট, যশোর, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশাল ও বরগুনা। এসব জেলার মুসল্লিরা এবার টঙ্গীর তুরাগ তীরে ইজতেমায় অংশ নেবেন। বাকি ৩২টি জেলায় মুসল্লিরা এবার নিজেদের জেলায় ইজতেমা করবেন। এই ৩২টি জেলার মুসল্লিরা ২০১৮ সালে তুরাগ নদীর তীরে ইজতেমায় যোগ দেবেন।

মিয়ানমারে মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে বৃহত্তর ডুংরিয়া তৌহিদী জনতার মানববন্ধন


এম এ কাসেম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ::
মিয়ানমারে বৌদ্ধ কর্তৃক মুসলমানদের বর্বরোচিত ভাবে হত্যার প্রতিবাদে দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বৃহত্তর ডুংরিয়া তৌহিদী জনতার উদ্যোগে ডুংরিয়া বাজারস্থ শাপলা চত্ত¡রে গতকাল রবিবার,দুপুর ২ ঘটিকায় মানববন্ধন পরবর্তী পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডুংরিয়া বাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ফারুক আহমদের সভাপতিত্বে ও মাওলানা হোছাইন আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ হোসাইনী। এসময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ডুংরিয়া বড় মসজিদের ইমাম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, বৃহত্তর ডুংরিয়া তৌহিদী জনতার আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন জিয়াউর, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম শিপন,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়েল ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা নিজাম উদ্দিন, ডুংরিয়া মহিলা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা খলিল আহমদ,মাওলানা মুজিবুর রহমান,মাওলানা আব্দুর রহিম,ডুংরিয়া বাজার কমিটির সভাপতি হাজী আব্দুল কদ্দুছ,হাজী আবুল বশর,হাজী আব্দুল কাইয়ূম,মাষ্টার জমিলুল হক, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ,মাওলানা জয়নাল আবেদীন,ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মুনায়েম,সহকারি শিক্ষক আব্দুন নুর, মাওলানা আব্দুল আজিজ,মুফতি শামছুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কাসেম,মাওলানা আব্দুল মুক্তাদির,মাওলানা শফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আমির আলী,আশরাফ আলী,ছাত্রলীগ নেতা হাছন আহমদ প্রমুখ।

পাইকগাছার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হাসেম গ্রেফতার

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হাসেমকে(গ্রামঃগড়ের আবাদ, পোষ্টঃ গজালিয়া, ইউনিয়নঃ চাঁদখালী) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২৫ নভেম্বর পাইকগাছা উপজেলার গড়ের আবাদ গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আবুল হাসেম ও তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে আক্রমণ চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গুরুতর আহত করে। সে এখন খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছে। ভিকটিমের ভাই এমদাদুল হক বাদী হয়ে আবুল হাসেম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর নামে মামলা করে।

বৃহস্পতিবার (০১ ডিসেম্বর) পাইকগাছা থানার এস. এই. গৌতমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নাম্বার আসামী হাসেম আলীকে গ্রেফতার করে। আসামী এখন থানা হাজতে বন্দী আছে। তার উপরে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। 

এলাকার সাধারণ জনগণ তার হাতে জিম্মি। এলাকার জনগণ তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাই না। সে গ্রেফতার হওয়ায় এলাকার মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। এলাকার জনগন তার উপযুক্ত শাস্তির পাশাপাশি তার সন্ত্রাসী বাহিনীকেও গ্রেফতার দাবি জানিয়েছে।

রাষ্ট মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত অস্ত্র চোরাচালানীর ভাতিজা সুনামগঞ্জে তথ্য গোপন করে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ লাভের ঘটনায় তোলপাড়


সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি,
¯^রাষ্ট মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত এক অস্ত্র চোরাচালানীর ভাতিজা তথ্য গোপন করে পুলিশে নিয়োগ লাভের ঘটনায় সুনামগঞ্জে তোলপাড় শুরু হয়েছে।  এ ব্যাপারে তথ্য প্রমাণাদি সহ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ কিছুটা নরেচরে বসেছে।’ পুলিশ বাহিনীতে চাকুরি নেয়ার জন্য মোটা অংকের উৎকোচ প্রদান করেন। ’ শুধু তাই নয় নিজের বিয়ের তথ্য গোপন করার জন্য ওই কনষ্টেবলের চাচা খন্দকার শাহজাহান বিয়ের কাবিননামা ও কমিউনিটি সেন্টার বুকিং দেয়ার তথ্য গায়েব করে ফেলেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ’ 
জানা গেছে,সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ১নং  বীরেন্দ্রনগর গ্রামের সুলতান খন্দকারের ছেলে ও ¯^রাষ্ট মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত সীমান্তের অস্ত্র চোরাকারবালী শাহজাহান খন্দকারের ভাতিজা তারই চতুরতায় তথ্য গোপন করে শামীম খন্দকার পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বশীলদের ধোকা দিয়ে পুলিশ বাহিনীতে চাকুরি নিয়েছেন।
উপজেলার শ্রীপুর উওর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য সদস্য আবদুল  আলীম বুধবার  পুলিশ সুপারের নিকট এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।’
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বীরেন্দ্রনগর গ্রামের সুলতান খন্দকারের ছেলে শামীম খন্দকার ধোকা দিয়ে নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে চলতি বছর পুলিশ কন্সস্টেবল পদে চাকুরী নেয়। কিন্তু শামীম ঘটনা করে ২০ লাখ টাকা দেনমোহর দিয়ে ২০১৫ সালের ২ অক্টোবর সুনামগঞ্জ শহরের লতিফা কমিউিনিটি সেন্টারে দোয়ারাবাজার উপজেলার আজমপুর গ্রামের আলতাফ মিয়ার মেয়ে লিজা আক্তারকে বিয়ে করে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা অভিযোগকারী ইউপি সদস্য  আবদুল আলীমসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি ছাড়াও জেলা শহরের আইনজীবী এবং ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।’ অভিযোগের সাথে বিয়ের  আসরে বসা বর কন্যার যুগল  ছবিও সংযুক্ত করা হয়েছে।’ এদিকে গুনধর চাচা শাহজাহানের কালো টাকার প্রভাবে মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে বিয়ের তথ্য গোপন করে
অবিবাহিত সেজে শামীম খন্দকার ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ থেকে পুলিশ কনষ্টেবর পদে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ লাভ করেন। পুলিশের নিয়োগ লাভের পর একই বছরের ২ অক্টোবর তাহিরপুর থানার এসআই নুরুল ইসলাম সরজমিনে বীরেন্দ্রনগর ভিয়ারের জন্য গেলে সেখানকার লোকজন শামীমের বৈবাহিক অবস্থার কথা জানালেও ওই এসআই শাহজাহানের সাথে লাখ টাকায় গোপন সমঝোতা করে শামীম অবিবাহিত যুবক বলে ভিয়ার প্রেরণ করেন। এরপর শামীমকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি চলতি বছরের ১ নভেম্বর শামীম খন্দকার সিলেট রেঞ্জের সিলেট আর আরএফ পুলিশের সংযুক্ত ট্রেনিং সেন্টার ওসমানীনগরের লালা বাজারে ট্রেনিং-এ চলে যায়।’ এদিকে ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্যের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের বিশেষ শাখা থেকে থেকে একজন এএসআই পদ মর্যাদার তদন্তকারী অফিসার বীরেন্দ্রনগরে সরজমিনে তদন্তে আসেন। তদন্তকাজে ফের প্রভাববিস্থার করতে গিয়ে শামীমের চাচা সেই অস্ত্র চোরাকারবারী এলাকার লোকজনকে মুখ না খোলার জন্য এমনকি শামীম অবিবাহিত বলে তদন্তকারী অফিসারের নিকট লিখিত দেয়ার জন্য নানা ভাবে চাঁপ সৃষ্টি করেন।’
শামীম খন্দকারের চাচা শাহজাহান খন্দকারের নিকট শনিবার এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি  বলেন, আসলে কনের বয়স না হওয়ায় ওই সময় শুধু আংটি পরিয়েছিলাম, আমি কাবিননামা ও কোন রকম তথ্য গায়েব কিংবা কাউকেই হুমকি বা চাঁপ সৃষ্টি করিনি।’ উৎকোচ দিয়ে নিজের ভাতিজার কনষ্টেবল পদে নিয়োগ প্রাপ্তির বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগও অ¯^ীকার করেন তিনি।’
এদিকে ভিয়ারের তথ্য সংগ্রহকারী তাহিরপুর থানার এসআই নুরুল ইসলামের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি  বলেন,  লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে ভিয়ার প্রেরণের অভিযোগ অ¯^ীকার করেন।’ তিনি আরো বলেন, ওই কনষ্টেবল বিয়ে করেছেন বলে কোন কাবিননামার কাগজপত্র আমি পাইনি।’ বিয়ের কথা বার্তা হলেও তা আমার অগোচরে হয়ত সুনামগঞ্জে হয়ে থাকতে পারে।’
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার তদন্তকারী অফিসার এএসআই আবু আফসার ভুইয়া শনিবার এ প্রতিবেদকে বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে, প্রাথমিক তদন্তে শামীম বিবাহিত বলে এলাকার লোকজন লিখিত দিয়েছেন, এখন  প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে।’ 
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর রশীদ বলেন, তথ্য গোপন করে ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ কোন নিয়োগ লাভ করলে নিয়মানুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’ তিনি আরো বলেন, শামীম খন্দকার নামক এক কনষ্টেবলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে তদন্ত করা হচ্ছে।’##

হাবিব সরোয়ার আজাদ, সুনামগঞ্জ-০৩.১২.১৬

বেনাপোল বন্দর প্রেস কাবে বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মহান বিজয় দিবস উদযাপন  উপলক্ষ্যে বেনাপোল বন্দর প্রেস কাবে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় বন্দর প্রেস কাবের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

বন্দর প্রেসকাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে উক্ত বিজয় উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বন্দর প্রেস কাবের উপদেষ্ঠা এমএ মুননাফ, সহ সভাপতি আবুল বাশার, নূরুল ইসলাম লিটন, সাধারন সম্পাদক আজিজুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম শাহিন, প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল, অর্থ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহনেওযাজ স্বপন, সদস্য সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, তামিম হোসেন সবুজ, হাবিবুর রহমান রিফাত, আমজাদ হোসেন টিটো, আমিনূর রহমান তুহিন  প্রমুখ।

উক্ত আলোচনা সভায় বিজয় দিবসকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সর্বশেষ...সংবাদ

আমাদের আপডেট পেতে লাইক দিন

Bangla Newspaper

Mobile Dialer

জনপ্রিয় সংবাদ

Popular Posts